(মোটিভেশন) রাগ পরিহার করুন।না হলে স্ট্রোক করতে পারেন

কথা বলার জন্যে ভাষাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা মাধ্যম! কিন্তু আমরা যে ভাষায় আমাদের মনের ভাব প্রকাশ করি, সেই ভাষাটা কি সবসময়েই সত্য হয়ে থাকে? কিংবা সেই ভাষাটা কি সবসময়েই আমাদের মূল চরিত্রের প্রতিফলন ঘটায়? উত্তর হচ্ছে, না! কিন্তু কিছু ভাষা আছে, যেগুলোতে আপনি হাজার চেষ্টা করেও আপনার মূল চরিত্র, অবস্থা, অনুভূতি ইত্যাদি লুকিয়ে রাখতে পারবেন না! এমন কিছু ভাষা হচ্ছে, "ফেস ল্যাঙ্গুয়েজ", " বডি ল্যাঙ্গুয়েজ", "মুভমেন্ট ল্যাঙ্গুয়েজ" ইত্যাদি! কারো সাথে সরাসরি কথা বলার সময় আপনার হাতে মাত্র ৭ সেকেন্ড সময় থাকে, তাকে ইম্প্রেস করার জন্যে! এটা জানেন কি? এই ইম্প্রেশনটাকে বলে পাওয়ারফুল ফার্স্ট ইম্প্রেশন! এই সাত সেকেন্ডেই আমাদের সাবকন্সাশ মাইন্ডে তাদের জন্য জায়গা তৈরি হয়! ফার্স্ট ইম্প্রেশনে ব্যর্থ হলেও সেকেন্ড ইম্প্রেশন তৈরি করার জন্যে আপনি অন্য একটা কাজ করতে পারেন। আর সেটা হচ্ছে তার নাম ধরে বেশ কয়েকবার ডাকতে পারেন কিংবা অন্য কোনো বিষয়ে কথা না বলে তাদের সম্পর্কে কথা বলতে পারেন। এতে তার কাছে মনে হবে যে, আপনি তার সম্পর্কে জানতে আগ্রহী! আর সবাই নিজেদের সম্পর্কে জানাতে পছন্দ করে! মেন্টাল স্ট্রং হয়ে তারপরে কথা বলাও কিন্তু অসাধারণ একটা টেকনিক! মেন্টালি স্ট্রং হওয়ার জন্যে নিজের সাথে কথা বলতে পারেন! এই টেকনিক কিন্তু ভাষা প্র্যাকটিসেও মারাত্মক কাজে আসে! কারো সাথে কথা বলার সময়, সবাই-ই চাই যাতে সে অন্যদের থেকে আলাদা হতে পারে। এজন্যে অনেকে ছ্যাচড়ামো শুরু করে। এটা করা মোটেও উচিত নয়। তার চেয়ে বরং আগে গিয়ে কথা বলুন! এতেই আপনি অন্যদের থেকে আলাদা ও অ্যাট্রাকটিভ হতে পারবেন! বডি ল্যাঙ্গুয়েজ মেথডে একটা সিস্টেমের নাম হচ্ছে 'মিররিং বডি ল্যাঙ্গুয়েজ'। এই সিস্টেমে একজনের সাথে কথা বলার সময় তার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ কপি করুন! অর্থাৎ, সে যদি হাত নেড়ে কথা বলে, তাহলে আপনিও হাত নাড়ুন। সে যদি পা নাচিয়ে কথা বলে, আপনিও তাই করুন। এতে করে সেই ব্যক্তি আপনার সাথে কানেক্টেড ফিল করবে! এক ধরনের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ আছে যেগুলোকে বলে পজিটভ বডি ল্যাঙ্গুয়েজ! এই ধরনের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ মূলত নেগেটিভ অবস্থাকে ইন্সট্যান্ট পজিটিভ ওয়েতে পরিবর্তন করার জন্য খুবই কাজ করে! যেমন ধরুন,আপনি যদি রেগে থাকেন তাহলে স্বাভাবিক ওয়ে তে আপনার মুখের পেশি শক্ত হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে পজিটভ বডি ল্যাঙ্গুয়েজের প্রতিফলন ঘটাতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনি পা নাড়াতে পারেন, জোরে জোরে কিংবা জোরে তালি দিতে পারেন, এতে করে আপনার সাবকন্সাশ মাইন্ড বিব্রত হয়ে পড়বে, যার ফলে রাগ আর থাকবে না বা কন্ট্রোলড হয়ে যাবে! যারা রাগতে পছন্দ করেন আর বারবার গর্বের সাথে বলেন যে, "আমি রাগী, আমি রাগী", তারা 'রাগী' থেকে 'শান্ত' হয়ে যান, নয়তো স্ট্রোক করার সম্ভাবনা আছে!

Writer:Digital Marketer Muntasir
Previous
Next Post »
Thanks for your comment